ক্লাউড কম্পিউটিং কি ? এর ব্যবহার, সুবিধা ( বিস্তারিত আলোচনা) · MozarTech.com

ক্লাউড কম্পিউটিং কি ? এর ব্যবহার, সুবিধা ( বিস্তারিত আলোচনা)


 

ক্লাউড কম্পিউটিং কি ? এই বিষয় নিয়ে অনেকেরই একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খায় সেই ঘুরপাক যেন না খায় তার সল্যুশন আজকের

 

 

বর্তমানে প্রায় প্রত্যেক কোম্পানি গুলো, কিছু না কিছু ক্ষেত্রে এই উন্নতমানের কম্পিউটিং (Computing) প্রযুক্তির ব্যবহার (Use) করছেন।

cloud computing নেটওয়ার্ক (Network) এর মাধ্যমে, data গুলোকে serverএবং client এর মধ্যে অনেক তাড়াতাড়ি আদান-প্রদান করা যেতে পারে।

যার ফলে, ব্যবহারকারীরা অনেক দ্রুত ভাবে service গুলো ব্যবহার (Use) করতে পারেন।

 

ক্লাউড কম্পিউটিং কি ?

(What Is a cloud computing In Bangla)

Cloud computing হলো, এমন একটি আধুনিক (“Mordan”) প্রযুক্তি যেখানে যেকোনো file, database, programs ইত্যাদি গুলোকে জমা (store) করার ক্ষেত্রে, ইন্টারনেটে *(Internet) সক্রিয় কিছু remote server এর নেটওয়ার্ক (Network) গুলোকে ব্যবহার (Use) করা, যাতে data processing বা data store করার ক্ষেত্রে local server ব্যবহার (Use) করার প্রয়োজন না হয়।

 

আপনার (Your) data বা file গুলো একটি local server এ জমা হওয়ার বিপরীতে, internet এর remote server গুলোতে জমা হয়ে থাকে।

এবং, এর ফলে আপনি আপনার (Your) data ও file গুলো যেকোনো জায়গার থেকে ব্যবহার (Use access) করতে পারবেন।

কারণ, আপনার (Your) datafile গুলো ইন্টারনেটের (internet) remote server নেটওয়ার্ক (Network) এ রয়েছে।

 

Cloud computing মানে, বিভিন্ন data এবং programs গুলোকে নিজের computer hard drive এ রাখার বিপরীতে, ইন্টারনেটে *(Internet) জমা করে রাখে এবং ইন্টারনেটের (internet) মাধ্যমে সেগুলো manage, process এবং access করা”।

 

ক্লাউড কম্পিউটিং (Computing) এর উদাহরণ

এমনিতে cloud computing এর উদাহরণ প্রচুর রয়েছে।

তবে, আপনার (Your) যাতে বুঝতে সুবিধে হয় তার জন্য কেবল স্পষ্ট উদাহরণ নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

 

  • YouTube, হলো এক অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ cloud storage এর যেখানে কোটি কোটি User এর Video File গুলো host করেন।

 

  • Google Photos, একটি online photo hosting service যার মাধ্যমে জেকেও নিজের Digital Picture গুলো cloud এ save করে রাখতে পারবেন।

 

  • Microsoft one drive এবং Google drive এর মতো cloud storage service রয়েছে, যেগুলো আমাদের files, data এবং documents গুলোকে তাদের cloud server এ host করতে দিচ্ছেন।

 

  • Facebook , কোটি কোটি লোকেদের upload করা images, videos এবং data গুলো FB নিজের data center এ host করছে। এবং, আমরা আমাদের files গুলো ইন্টারনের মাধ্যমে যেকোনো সময় manage, process এবং access করতে পারি।

এগুলো ছাড়া আরো অনেক রকমের ক্লাউড (Cloud) কম্পিউটিং (Computing) সার্ভিস রয়েছে যেমন, “Amazon cloudFront“, “Google cloud“, “Alibaba cloud“, “CloudFlora” ইত্যাদি, যেগুলো ব্যবহার (Use) করে নিজের online application গুলো cloud server এ host করা যেতে পারে।

 

 

Cloud computing এর সুবিধা ও লাভ কি কি ?

বর্তমান সময়ে cloud hosting services প্রচুর লাভ ও সুবিধে হওয়া দেখা যাচ্ছে।

 

  1. অনেক কম খরচে আপনি cloud services ব্যবহার (Use) করতে পারবেন।

  2. ইন্টারনেটের (internet) মাধ্যমে যেকোনো জায়গার থেকে data, apps বা files গুলো access ও manage করতে পারবেন।

  3. নিজের অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে দামি দামি data center তৈরি করতে হবেনা।

  4. Cloud storage ও computing এর সব থেকে সেরা লাভ হলো “নিরাপত্তা” (security). আপনার (Your) data ও file গুলো সুরক্ষিত থাকবে।নিজের প্রয়োজন হিসেবে storage এবং virtual requirements গুলো বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন।

  5. এই আধুনিক (“Mordan”) কম্পিউটিং (Computing) প্রযুক্তির ক্ষেত্রে, আপনি যতটুকু resources ব্যবহার (Use) করবেন, কেবল ওই ব্যবহারের ওপরেই টাকা দিতে হবে।

 

 

 

 

 

Cloud Computing এর ব্যবহার

File storage এর ক্ষেত্রে এর প্রচুর পরিমানে ব্যবহার (Use) করা হয়।

 

Website এবং web application তৈরি করা ক্ষেত্রে অধিক পরিমানে cloud hosting services ব্যবহার (Use) করা হয়।

 

Cloud Computing এর কাজ কি ?

 

আমি আগেও বলেছি, যখন আমরা physical hard drive বা personal computer এর বিপরীতে ইন্টারনেটে *(Internet) থাকা remote server গুলোতে আমাদের file, application, data গুলোকে process বা manage করি, তথন সেই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় cloud computing.

 

Cloud storage ব্যবহার (Use) করে আমরা করা বিভিন্ন কাজ ( Work )**** গুলোকেই বলা হয় cloud computing.

আর তাই, ক্লাউড (Cloud) কম্পিউটিং (Computing) এর কাজ ( Work )**** বলতে “রিমোট ক্লাউড (Cloud) স্টোরেজ” ব্যবহার (Use) করে আমরা করা বিভিন্ন কাজ ( Work )**** গুলোকেই বলা যেতে পারে।

যেমন, file storage, file backup, web application hosting ইত্যাদি।

 

 

ক্লাউড (Cloud) কম্পিউটিং (Computing) সার্ভিস এর প্রকার বলতে ৩ টি।

  • IaaS (Infrastructure-as-a-Service)
  • PaaS (Platform-as-a-Service)
  • SaaS (Software-as-a-Service)

 

১. Infrastructure-as-a-Service

এখানে আপনাকে কেবল, infrastructure (জায়গা) টি দিয়ে দেওয়া হয় এবং সম্পূর্ণ জায়গা কিভাবে ব্যবহার (Use) করবেন সেটা নিজেরে প্রয়োজন অনুসরি নিজেকেই সেটআপ করতে হবে।

 

 

২. Platform-as-a-Service

এই ক্লাউড (Cloud) কম্পিউটিং (Computing) সার্ভিস software developers দের ক্ষেত্রে একটি সেরা platform.

কারণ এই সার্ভিস ব্যবহার (Use) করে developers রা বিভিন্ন applications গুলোকে সহজেই develop, চালানো এবং ম্যানেজ করতে পারেন।

৩. Software-as-a-Service

এটা হলো এমন এক cloud based method যেটার ব্যবহার (Use) করা হয় ইন্টারনেটের (internet) মাধ্যমে ইউসারকে software service প্রদান করার উদ্দেশ্যে।

 

 

তাই, Facebook এবং Twitter তাছাড়া Whatsapp platform এ আমাদের এই আর্টিকেল অবশই শেয়ার করবেন।

 

আর্টিকেলটি পড়ার পর কোন মন্তব্য থাকলে নিচে জানান?

2 comments on “ক্লাউড কম্পিউটিং কি ? এর ব্যবহার, সুবিধা ( বিস্তারিত আলোচনা)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *