যেই জঙ্গলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সুইসাইড করার জন্য যায়. Japan

যেই জঙ্গলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সুইসাইড করার জন্য যায়. Japan

জাপান আত্মহত্যার দেশ যেখানে প্রতিনিয়ত অনেক মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাচ্ছে আমরা এই জাপানের আত্মহত্যা নিয়ে আজকে আর্টিকেলটি পড়বো সবাই মন দিয়ে পড়তে থাকুন জাপানের কালো মানুষকে ঘৃণা করতে থাকুন .

ঘন Gaspala। ঠিকমত পৌঁছাতে পারছে না সূর্যের (Sun) আলোও। আবছা আলোতে নেই কোন জনমানব। গা (Body) ছমছমে ভাব। গভীরতা ক্রমশ যেন বেড়েই চলেছে। তীব্র হচ্ছে লাশের গন্ধ। হঠাৎই সামনে পড়ল ঝুলন্ত একটি মৃতদেহ। মনে হচ্ছে এটা কোন হরর মুভি বা ভৌতিক উপন্যাসে ঘটে যাওয়া পরিচিত কোন দৃশ্য। কিন্তু শুধু হরর মুভি বা ভৌতিক উপন্যাস নয় বরং বাস্তবেই আপনি সম্মুখীন হতে পারেন এমন একটি দৃশ্যের।

যদি এডভেঞ্চার ভালোবেসে থাকেন আর হতে চান এমনই গা (Body) শিউরে উঠা এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী তাহলে অওকিগা (Body)হারা হচ্ছে আপনার জন্য সঠিক জায়গা (Body)। অওকিগা (Body)হারা জাপান [The Japan]ের একটি রহস্যময় বন (Jangle)। এ বন (Jangle)ে যারা আসেন তাদের উদ্দেশ্য পুরোপুরিই ভিন্ন। পর্যটক বা ভ্রমণকারী নয়, বরং আত্মহত্যাকারী হতেই এ বন (Jangle)ের পথে পা বাড়ান অসংখ্য মানুষ। আর তাই সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট বা সুইসাইড বন (Jangle) বলে এর বিশেষ কুখ্যাতি রয়েছে। অওকিগা (Body)হারা বন (Jangle) সম্পর্কে জাপান [The Japan]িদের (Japani) মধ্যে অনেক গল্প প্রচলিত আছে।

তারা বিশ্বাস করেন, এ বন (Jangle)ের মধ্যে কেউ গেলে আর ফিরে আসে না। এধরণের কিছু ভয়ংকর তথ্যই অওকিগা (Body)হারাকে করে তুলেছে পৃথিবীর রহস্যময় স্থানগুলোর একটি। তো জেনে নেয়া যাক রহস্যে ঘেরা এই সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট ও আত্মহত্যা সংক্রান্ত কিছু তথ্য।

 

সুইসাইড (Uttohtta ) ফরেস্ট , জাপান

প্রতি বছর একশ জনের মত লোক এই সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট আত্মহত্যা করে!
ঘন Gaspalaর কারণে গোলকধাঁধাময় এই বন (Jangle)টি এতই বিভ্রান্তিকর ও গোলমেলে যে অনেক মৃতদেহের সন্ধানই পাওয়া যায় না অনেক বছর। আবার অনেক মৃতদেহ অনাবিষ্কৃতই থেকে যায়। এই কারণে অওকিগা (Body)হারায় বা সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট সুইসাইড সঠিক হার নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। তবে কিছু সমীক্ষা দাবী করে, প্রতি বছর একশ জনের মত লোক এখানে আত্মহত্যা করে।

 

আত্মহত্যা অপরাধ নয়!

অন্যান্য দেশে আত্মহত্যাকে অপরাধ বলে মনে করা হলেও জাপান [The Japan]ের ঐতিহ্যে সুইসাইড প্রচলন ছিল। ফিউডাল এইজে জাপান [The Japan]ে সামুরাই নীতিতে বিশ্বাসীরা (আত্মহত্যায় মুক্তি) এর মাধ্যমে ঈশ্বরের (Fack )কাছে যাওয়া যায় বলে ধারণা করত। এ ধরনের আত্মহত্যা কে জাপান [The Japan]ি সমাজে বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখা হত। এখনো অনেক জাপান [The Japan]ি এ নীতি বিশ্বাস করেন।

জাপান [The Japan]িদের (Japani) সুইসাইড সংখ্যাটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি
20067 সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় জাপান [The Japan]ে সুইসাইড হার ছিল লক্ষণীয়।1900 সালের জানুয়ারিতে মোট সুইসাইড সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল 56785 জনে যা আগের বছরের তুলনায় 78% বেশি। এর সংখ্যা চূড়ান্ত পর্যায় আসে মার্চ মাসে জাপান [The Japan]ের অর্থবছরের শেষে। দেখা গেছে মানসিক চাপ ও পারিবারিক সমস্যার কারণেই অধিকাংশ লোক আত্মহত্যা করে। এর পেছনের মূল কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক অবন (Jangle)তি, চাকরি হারানো বা বেকারত্বকেই দায়ী করা যায়।

 

সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট

সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট এর প্রবেশ পথে লাগা (Body)নো আছে সিকিউরিটি ক্যামেরা
সুইসাইড হার কমানোর জন্য জাপান [The Japan] সরকার একটি আইন পাস করে। পরবর্তী সাত বছরের মধ্যে সুইসাইড হার ২০% কমিয়ে আনাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এর দরুন সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট এর প্রবেশ পথে লাগা (Body)নো হয় সিকিউরিটি ক্যামেরা, বাড়ানো হয় সতর্ক প্রহরা। বন (Jangle)ের পথে জায়গা (Body)য় জায়গা (Body)য় সাইনবোর্ডের ব্যবস্থা করে সুইসাইড (Uttohtta in benhli) প্রিভেনশন অ্যাসোসিয়েশনগুলো। সাইনবোর্ডে লেখা হয় বিশেষ ম্যাসেজ ‘তোমার সন্তান ও পরিবারের কথা ভাবো’, ‘তোমার জীবন (Jangle) পিতা-মাতার কাছ থেকে মূল্যবান উপহার।’ ‘ দয়া করে আত্মহত্যা করার আগে পুলিশের পরামর্শ নাও।’

সুবিশাল এ জংগলে একবার ঢুকলে বের হওয়ার রাস্তা পাওয়া খুব মুশকিল
সুইসাইড বিষয়টি বাদ দিলাম। তারপরেও অওকিগহারায় বা সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট এ ভ্রমণের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। গভীর ও সুবিশাল এ জংগলে একবার ঢুকলে বের হওয়ার রাস্তা পাওয়া খুব মুশকিল। অদ্ভুতরকমের মোচড়ানো ও বাঁকানো আকৃতির গা (Body)ছগুলো যেন বন (Jangle)ের রহস্য আরও বাড়িয়ে দেয়। গা (Body)ছের শিকড়গুলো জালের মত আঁকড়ে রেখেছে পুরো বন (Jangle)ের মাটি। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় এর ভূমি অমসৃণ, এবড়ো খেবড়ো ও প্রস্তরাকীর্ণ। রয়েছে শত শত গর্ত ও অন্ধকার গুহা। বন (Jangle)ের গঠনের থেকেও যে বিষয়টা শঙ্কা বা অতিপ্রাকৃতিক অনুভূতির জন্ম দেবে তা হল দম বন (Jangle)্ধ করা তীব্র নিস্তব্ধতা। গা (Body)ছগুলো এতটাই আঁটসাঁট যে বাতাস এদের সহজে নাড়াতে পারে না। বন (Jangle)্যপাণীর অস্তিত্বও বিরল। একজন পরিদর্শক এই নিস্তব্ধতাকে শূন্যতার গহ্বর বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এখানে আমার নিঃশ্বাসের শব্দও মনে হচ্ছিল এক একটি গর্জন।’

ফাঁসি, বিষক্রিয়া ও ওষুধের ওভারডোজের মাধ্যমে আত্মহত্যা
অধিকাংশ আত্মহত্যাকারীরা ফাঁসির পথ বেছে নেন। তাছাড়া বিষক্রিয়া ও ওষুধের ওভারডোজের মাধ্যমেও সুইসাইড আলামত পাওয়া যায়।

অওকিগা (Body)হারা বা সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট হচ্ছে সুইসাইড উত্তম স্থান
১৯৬০ সালে জাপান [The Japan]ি লেখক সেইচো মাতাসুমোতো একটি ট্র্যাজিক উপন্যাস লিখেন যার নাম ‘কুরোয় জুকাই’। অওকিগা (Body)হারা বন (Jangle)ে প্রেমিক যুগলের আত্মহননের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় এই উপন্যাসের কাহিনী। ধারণা করা হয় এই রোমান্টিক চিত্রকল্পই জাপান [The Japan]ি কালচারের উপর অশুভ প্রভাব বিস্তার করেছে। তাছাড়া ওয়াতারু তুসুরুমির ‘কমপ্লিট সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ম্যানুয়াল’ বইটিতে বলা হয়েছে, অওকিগা (Body)হারা বন (Jangle)ই হচ্ছে সুইসাইড উত্তম স্থান। কয়েকটি মৃতদেহের সঙ্গে বইটি পাওয়া গিয়েছিলো।

 

জাপান [The Japan]ের লোকসাহিত্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে এই অওকিগা (Body)হারা বা সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট
ইউবাসিউট (Ubasute) হচ্ছে মৃত্যুর কঠোরতম একটি পদ্ধতি যার অর্থ ‘বৃদ্ধাদের পরিত্যাগ করা’। প্রাচীন কালে জাপান [The Japan]ের অর্থনৈতিক অবস্থা সচ্ছল ছিল না। অনাহারের কষ্ট লাঘবে খাবারের মুখ কমানোর জন্য পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যকে রেখে আসা হতো দূরে কোন পাহাড় বা বন (Jangle)ে। যেখানে আত্মহত্যা নয়, বরং পানি ও খাবারের অভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মারা যেত তারা। অনেকে বলে থাকেন এগুলো শুধুমাত্র লোককথা। বলা যায় জাপান [The Japan]ের লোকসাহিত্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে এই অওকিগা (Body)হারা বন (Jangle) বা সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট।

 

সেচ্ছাসেবক দল দ্বারা এই সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট এলাকায় সতর্ক প্রহরার ব্যবস্থা
তবে প্রতি বছর 267থেকে 65568 টির মতো মৃতদেহ পাওয়া যেত। এ বন (Jangle)ে ভ্রমণের অনুমতি থাকলেও যারা তাবু নিয়ে আসেন তাদের উপর রাখা হয় বিশেষ নজর। কেননা যারা কয়েকদিনের ক্যাম্পিং এ আসেন তাদের কেউ কেউ আত্মহত্যা নিয়ে বেশ দ্বিধান্বিত থাকেন। ভাগ্যের সাথে শেষ বোঝাপড়া করে নিতেই তাবু খাটেন এই বন (Jangle)ে। সুইসাইড (Uttohtta in benhli) প্রিভেনশন পেট্রলের স্বেচ্ছাসেবকরা এধরণের ক্যাম্পারদের ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন, অনুনয় বিনয় করে বন (Jangle) ছাড়তে বাধ্য করেন। .

 

স্বেচ্ছাসেবকরা মৃতদেহ উদ্ধারের সময় প্লাস্টিকের ফিতা বা টেপ দিয়ে রাস্তা মার্ক করে রাখেন। যাওয়ার সময় গা (Body)ছে গা (Body)ছে টেপ বেঁধে ভেতরে প্রবেশ করেন যেন আসার সময় রাস্তা চিনে বেরিয়ে আসতে পারেন। অন্যথায় যে কেউ পথ গুলিয়ে যাবেন এবং চিরতরে আটকা পরে যেতে পারেন বিভ্রান্তিকর এই অওকিগা (Body)হারায়।

 

সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট এ সেলফোন সার্ভিস মোটেও কাজ করে না
অওকিগা (Body)হারার মাটিতে ম্যাগনেটিক আয়রনের পরিমাণ এতই বেশি যে সেলফোন সার্ভিস মোটেও কাজ করে না। জিপিএস সিস্টেম তো দূরের কথা এমনকি কম্পাসও এখানে অচল। এজন্যই টেপ বা প্লাস্টিকের ফিতা ব্যবহার করা ছাড়া অন্যকোনো উপায় নেই।

স্থানীয়রা মনে করেন এই বন (Jangle)টি তার মারাত্মক সম্মোহন ক্ষমতার জন্যই বিখ্যাত। এখনও পর্যটকরা পাশের মাউন্ট ফুজির সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারেন। পরিদর্শন করতে পারেন অসাদৃশ্যপূর্ণ লাভা, তিনশ বছরের পুরাতন গা (Body)ছ ও মনোমুগ্ধকর নারুসাওয়া আইজ কেইভ।

ইন্টারনেট ছড়িয়ে আছে অওকিগা (Body)হারার বিভ্রান্তিকর নানা ছবি। এসব ভয়ংকর ছবি দেখার পরও যদি অভিশপ্ত এ বন (Jangle) থেকে একবার ঘুরে আসতে চান তাহলে আপনার জন্য একটি টিপস হল, যাওয়ার সময় অবশ্যই দিক নির্দেশনা মেনে চলবেন এবং কখনো রাস্তা ছেড়ে যাবেন না।

এই বন (Jangle)টির অবস্থান জাপান [The Japan]ের ফুজি পর্বতমালার উত্তর-পশ্চিমে। Gaspalaর প্রাচুর্যের জন্য কেউ বলে ‘ সি অফ ট্রিজ’ বা ‘বৃক্ষ-সাগর’। তবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ‘সুইসাইড (Uttohtta in benhli) ফরেস্ট’ বা ‘সুইসাইড বন (Jangle)’ নামে। পৃথিবীর সবচাইতে আত্মহত্যা-প্রবণ স্থানগুলোর ভেতরে এর অবস্থান দ্বিতীয়।

 

জাপান একদম অদ্ভুত একটি দেশ যে দেশের এরকম নিয়ম কানুন বাংলাদেশের সালে বাংলাদেশের আলোচিত বন্ধুরা কেমন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *